ফিচার



যেভাবে এলো এই খাবারের নামগুলো

Logo

ছবি: ইন্টারনেট থেকে

যেভাবে এলো এই খাবারের নামগুলো

ফিচার ডেস্ক 2018-01-01 13:16:05

ম্যাগি ছাড়া অনেকের চলেই না। আবার অনেকের স্যান্ডউইচ ভীষণ প্রিয়। কিন্তু, জানেন কি ম্যাগি বা স্যান্ডউইচের নামের পিছনের গল্প? কেন এমন নাম হলো এই খাবারগুলোর?

ম্যাগি: চটজলদি খাবার হিসেবে ম্যাগির ধারেকাছে আর কেউ আসতে পারবে বলে মনে হয় না। সেই ম্যাগি নামটা এসেছে জুলিয়াস মাইকেল জোহানেস ম্যাগি-র নাম থেকে।
কল-কারাখানার মজুরদের জন্য ঝটপট তৈরি করা যায় এমন কোনও স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা ভেবেছিলেন জুলিয়াস। সেই ভাবনা থেকেই ১৮৮৬ সালে ম্যাগি স্যুপ আর প্রি-কুকড ফুড বানিয়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তিনি।  

স্যান্ডউইচ: ঘটনা আঠারো শতকের। তাস খেলতে খেলতে টুকটাক কিছু খেতে চেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের স্যান্ডউইচ শহরের চতুর্থ আর্ল জন মন্টাগু। আবার তাস খেলার এমনই নেশা যে তা-ও বন্ধ রাখতে পারছিলেন না। ফলে ওই তাস খেলার ফাঁকেই দুটো পাউরুটির স্লাইসে ঠান্ডা মাংসের টুকরো পুরে বানানো হয়েছিল জন মন্টাগুর খাবার। আজকাল যাকে স্যান্ডউইচ বলেই জানি আমরা।

নাচোস: এই মেক্সিকান খাবারের প্রচলন এখন বাংলাতেও। মেক্সিকান শেফ ইগনাশিও আনায়ারের ডাক নাম ছিল নাচোস। তাই তার নামে নামকরণ হয় ‘নাচোস’-এর। ১৯৪৩ সালে তিনি এই খাবারের প্রচলন করেন।

টুন্ডে কে কাবাব: ভারতের লখনউয়ের নবাবের জন্য ১৬০টি মশলা মাখিয়ে তৈরি হয়েছিল টুন্ডে কে কাবাব। এমনই নরম, তুলতুলে যা মুখে দিলেই গলে যাবে। কারণ, দন্তহীন নবাব কাবাব চিবিয়ে খেতে পারবেন না। একজন হাতবিহীন (টুন্ডা) শেফ হাজি মুরাদ আলির নামেই ছড়িয়ে পড়ে এই কাবাবের সুখ্যাতি।

সিজার স্যালাড: ইতালি থেকে আমেরিকায় পাড়ি গিয়ে বেশ কয়েকটা রেস্তরাঁ খুলে বসেছিলেন সিজার কারদিনি। মেক্সিকোতেও তার কয়েকটা রেস্তরাঁ ছিল। ১৯২৪ সালে কিচেনে লেফ্টওভার ফুড দিয়েই তৈরি হয় একটি অন্য ধরনের স্যালাড। নাম দেওয়া হয় সিজার স্যালাড।  

ব্লাডি মেরি: এই নাম নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় গল্পটা হলো, ১৯২১ সালে প্যারিসের একটি বারে ভদকা, টোম্যাটো জুস দিয়ে দারুণ লাল রঙের ককটেল তৈরি করে ফেললেন ফেরনো পেতিওঁ। কিন্তু ককটেলের নাম কী রাখবেন তা ভেবে পাচ্ছিলেন না। তখন তার সামনে বসা এক যুবক পনেরো শতকের ইংল্যান্ডের রানি প্রথম মেরির নামে ওই ককটেলের নাম দেন ব্লাডি মেরি। #

Reply


Write a comment

Sign up