জীবন-যাপন



প্রতিদিন ৩০ মি.লি. গম গাছের জুস খেয়ে দেখুন

Logo

ছবি: সংগৃহীত

প্রতিদিন ৩০ মি.লি. গম গাছের জুস খেয়ে দেখুন

স্বাস্থ্য ডেস্ক 2018-07-25 09:58:26

জীবনে অসুখের যেমন শেষ নেই, ওষুধেরও তেমন শেষ নেই। তবে যদি আমরা রোগ প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে সচেতন হই, তাহলে অসুখ-বিসুখের হাত থেকে অনেক খানিই রেহাই পাওয়া সম্ভব।

আমাদের চারপাশেই রয়েছে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান- যা আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। জীবনের বেশিরভাগ সময় সঙ্গী হয়ে থাকা অসুখের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগাবে। হুইটগ্রাস বা গমের কচি চারার রস এমনই এক উপাদান।

মেডিসিনের বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাকৃতিক উপাদান থেকে পাওয়া নানা প্রতিরোধকে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। গমের চারার রস মানেই সতেজ ক্লোরোফিলের ভাণ্ডার। আর এই ক্লোরোফিল সবুজ গাছ ছাড়া আর কিছুতেই পাওয়া সম্ভব নয়।

বিভিন্ন খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ এই প্রাকৃতিক ঘাসে আছে ভিটামিন এ, সি, ই, বি কমপ্লেক্স, ১ ও কে। তাছাড়া প্রোটিন ও ১৭ ধরনের অ্যামাইনো এসিড রয়েছে এই চারায়। প্রতি ২৮ গ্রাম রসে রয়েছে ১ গ্রাম প্রোটিন। ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, আলসার, কানের জ্বালাপোড়া, ত্বকের পুনর্গঠন ইত্যাদির চিকিৎসায় ক্লোরোফিলের প্রভাব ইতিবাচক।

গমের রসের ৭০-৭৫ ভাগই হলো বিশুদ্ধ ক্লোরোফিল। ক্লোরোফিলে রয়েছে অনেক উপকারী উৎসেচক। যা কোষের সুপার অক্সাইড র্যািডিকেলগুলোকে ধ্বংস করতে সক্ষম। ফলে বার্ধক্যজনিত ছাপ শরীরে সহজে বাসা বাঁধতে পারে না। ক্লোরোফিল প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়ালও। শরীরের ভেতরে ও বাইরে তা অপকারী ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস করে।

ক্লোরোফিল তৈরি হয় আলোক রশ্মির মাধ্যমে। আর আলোক রশ্মির মাধ্যমেই তা মানবদেহে প্রবেশ করে। গমের চারার ক্লোরোফিল সরাসরি মানবদেহে মিশে যায়। এর কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথা শোনা যায়নি।

শরীরে জমে থাকা নানা ওষুধের ক্ষতিকারক অবশিষ্টাংশ পরিষ্কার করে দেয় এই চারা গমগাছের জুস। এই জুস হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ডায়াবেটিক রুগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। কিডনিকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে এটি। ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ, আলসার, কানের জ্বালাপোড়া, চামড়ার পুনর্গঠন, সাইনুসাইটিস ইত্যাদির চিকিৎসায় ক্লোরোফিল বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। হাড়ের সমস্যার অবনতি মন্থর করতেও বিশেষ গুরুত্ব পায় এই রস। এতে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম আছে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়াতে পারে গমের ঘাসের জুস।

যেভাবে তৈরি করবেন:
গমের কচি চারা দুই ফালি করে কেটে নিন। ভাল করে ধুয়ে পুরে জুসারে দিয়ে বানিয়ে নিন এই মহৌষধ। আর এর স্বাদ বাড়াতে অন্য কিছু মেশাবেন না।

এ রস ফ্রিজে জমিয়ে রেখে খেতে পারেন। উপকার পেতে প্রতিদিন খালি পেটে ৩০ মি.লি. পরিমান খান এই রস। #

Reply


Write a comment

Sign up